1. [email protected] : HM Sahabuddin : HM Sahabuddin
  2. [email protected] : UkhiyaVoice24 : Md Omar Faruk
মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মহাসড়কে ছোট যানের দৌরাত্ম্যে বাড়ছে দুর্ঘটনা বিএনপি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তির প্রতিবাদে গাবতলীতে যুবলীগের সমাবেশ টেকনাফ ফারিয়ার প্রতিবাদ সমাবেশ বিরামপুরে পাটের ভালো ফলনে কৃষকের মুখে হাঁসি পদ্মাসেতু উদ্বোধন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে ধন্যবাদ জানিয়ে উখিয়ায় আনন্দ মিছিল বিরামপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় আওয়ামীলীগের ৭৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত নাইক্ষ্যংছড়িতে আওয়ামীলীগের ৭৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বিরামপুরে ভাসমান মরদেহ উদ্ধার বিরামপুরে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষার্থী নিহত টেকনাফের বাহার ছড়া ইউনিয়নের শিলখালী এলাকায় মোস্তাকের গ্যাংদের হাতে গুরুতর আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে এক বৃদ্ধ
শিরোনাম:
মহাসড়কে ছোট যানের দৌরাত্ম্যে বাড়ছে দুর্ঘটনা বিএনপি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তির প্রতিবাদে গাবতলীতে যুবলীগের সমাবেশ টেকনাফ ফারিয়ার প্রতিবাদ সমাবেশ বিরামপুরে পাটের ভালো ফলনে কৃষকের মুখে হাঁসি পদ্মাসেতু উদ্বোধন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে ধন্যবাদ জানিয়ে উখিয়ায় আনন্দ মিছিল বিরামপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় আওয়ামীলীগের ৭৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত নাইক্ষ্যংছড়িতে আওয়ামীলীগের ৭৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বিরামপুরে ভাসমান মরদেহ উদ্ধার বিরামপুরে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় কলেজ শিক্ষার্থী নিহত টেকনাফের বাহার ছড়া ইউনিয়নের শিলখালী এলাকায় মোস্তাকের গ্যাংদের হাতে গুরুতর আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে এক বৃদ্ধ

৩ নভেম্বর জেলহত্যা ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে, সবচেয়ে নিষ্ঠুর ও কলঙ্ক জনক হত্যাকান্ড- জাফর বিএ এমপি

  • প্রকাশিত : বুধবার, ৩ নভেম্বর, ২০২১
  • ৮০ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি,

এখনও রক্তদানের ইতিহাস বন্ধক রাখি তোমাদের কাছে,
এখনও তেসরা নভেম্বর মানে অনাপোষী সূর্যেরা বুলেটেই বাঁচে।

আজ জেলহত্যা দিবস। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ’৭৫ এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার পর জাতির ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় কলংকজনক অধ্যায়।

১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকান্ডের পর তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও চার জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামারুজ্জামানকে এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

এর আগে ১৫ আগস্টের পর এই চার জাতীয় নেতাকে কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

মুক্তিযুদ্ধের শত্রুরা সেদিন দেশমাতৃকার সেরা সন্তান এই জাতীয় চার নেতাকে শুধু গুলি চালিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, কাপুরুষের মতো গুলিবিদ্ধ দেহকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে একাত্তরের পরাজয়ের জ্বালা মিটিয়েছিলো।

ইতিহাসের এই নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় শুধু বাংলাদেশের মানুষই নয়, স্তম্ভিত হয়েছিলো সমগ্র বিশ্ব। কারাগারে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা অবস্থায় বর্বরোচিত এ ধরনের হত্যাকাণ্ড পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।

জেলহত্যার পর ২১ বছর পর্যন্ত এ হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বন্ধ ছিল। তৎকালীন শাসকগণ নির্লজ্জের মত বিষয়টিকে এড়িয়ে গেছে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে জেলহত্যা মামলা পুনরুজ্জীবিত করে। হত্যাকাণ্ডের ২৩ বছর পর ১৯৯৮ সালের ১৫ অক্টোবর ২৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়৷ ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত এ মামলার রায়ে আসামী তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং এবং ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন৷ ২০০৮ সালে হাইকোর্ট রিসালদার মোসলেম উদ্দিনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখলেও মৃত্যুদণ্ড পাওয়া অন্য দুই আসামি মারফত আলী ও হাশেম মৃধাকে খালাস দেন৷ এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া ফারুক, শাহরিয়ার রশিদ, বজলুল হুদা ও একেএম মহিউদ্দিন আহমেদকেও খালাস দেয়া হয়৷ কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে ২০১৩ সালের ১৫ এপ্রিল সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ রায়ে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের দেয়া তিন জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ১২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রাখে৷

প্রখ্যাত সাংবাদিক অ্যান্থ’নি মাসকারেনহাস তার ‘বাংলাদেশ অ্যা লিগ্যাসি অব ব্লাড’ গ্রন্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনায় জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পরপরেই জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।

পরিকল্পনাটি এমন ভাবে নেয়া হয়েছিলো পাল্টা অভ্যুথান ঘটার সাথে সাথে যাতে আপনা আপনি এটি কার্যকর হয়। আর এ কাজের জন্য পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি ঘাতক দলও গঠন করা হয়।

বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রীসভার সবচাইতে ঘৃণিত বিশ্বাসঘাতক সদস্য হিসেবে পরিচিত এবং তৎকালীন স্বঘোষিত রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদ এবং বঙ্গবন্ধুর দুই খুনী কর্নেল (অব.) সৈয়দ ফারুক রহমান এবং লে. কর্নেল (অব.) খন্দকার আব্দুর রশীদ জেলখানায় জাতীয় চার নেতাকে হত্যার এ পরিকল্পনা করেন।

এ কাজের জন্য তারা আগে ভাগে একটি ঘাতক দলও গঠন করে। এ দলের প্রধান ছিল রিসালদার মুসলেহ উদ্দিন।
৭৫ এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্য এবং ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিহত জাতীয় চার নেতা হত্যার তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছিলো লন্ডনে।

এসব হত্যার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন ও বিচারের প্রক্রিয়াকে যে সমস্ত কারণ বাধাগ্রস্ত করেছে সেগুলোর তদন্ত করার জন্য ১৯৮০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এ তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়।

তবে সেই সময়ে বাংলাদেশ সরকারের অসহযোগিতার কারণে এবং কমিশনের একজন সদস্যকে ভিসা প্রদান না করায় এ উদ্যোগটি সফল হতে পারেনি। সে সময়ে বাংলাদেশের সরকার প্রধান ছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

বাংলাদেশ যাতে এগিয়ে যেতে না পারে, স্বাধীনতা যাতে ব্যর্থ হয়, স্বাধীন বাংলাদেশ যাতে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয় সেই চক্রান্ত করে স্বাধীনতা বিরোধী চক্র। এদেশে যেন কোনদিন স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে সেই ষড়যন্ত্র থেকেই নিরাপদ স্থান জেলখানার অভ্যন্তরে এই হত্যাকাণ্ড তারা সংগঠিত করে।

ঘাতক চক্রের লক্ষ্য ছিলো বাঙালিকে নেতৃত্ব শূন্য করে বাংলাদেশকে পুনরায় পাকিস্তানের পদানত করে মুক্তিযুদ্ধের পরাজয়ের প্রতিশোধ নেওয়া।

এ কারণে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানে আটক করে রাখার পর যে চার নেতা বঙ্গবন্ধুর হয়ে যোগ্য নেতৃত্ব দিয়ে বিজয় ছিনিয়ে আনেন সেই চার নেতাকেও বঙ্গবন্ধুর মতো নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

চরম নির্মমতা ও নিষ্ঠুরতার সাক্ষী হচ্ছে জেলহত্যা দিবস। এই লজ্জা, এই গ্লানি, এই বেদনা মোছার নয়। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী ও শহীদ চার জাতীয় নেতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Copyright © 2020 UkhiyaVoice24
Theme Desiged By Kh Raad (Frilix Group)