Category: ইসলামি রাজনৈতিক

  • বাঁশখালী ওলামা পরিষদের নতুন কমিটি

    বাঁশখালী ওলামা পরিষদের নতুন কমিটি

    ,,আলমগীর ইসলামাবাদী চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি”
    বাঁশখালীর আলেম ওলামাদের ঐক্যবদ্ধ সংগঠন “বাঁশখালী ওলামা পরিষদ” এর পুর্বের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে নতুন আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সাথে ওলামা পরিষদের সকল সহযোগী সংগঠনের কার্যক্রমও বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।

    আজ (৩০ জুন-২২) বৃহস্পতিবার সকালে বাঁশখালী জামেয়া মিল্লিয়া আজিজিয়া মাদরাসা মিলনায়তনে সংগঠনের এক জরুরী সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
    সংগঠনের সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারী মাওলানা ফুজাইল বিন আবদুল জলিল, মাওলানা আনিসুর রহমান বিন আবু বকর, মাওলানা মাহমুদুল ইসলাম, মুফতি হেলাল উদ্দিন,সাংবাদিক মাওলানা শফকত হোসাইন চাটগামী, মাওলানা ইউনুস, মাওলানা সোহাইল মাহমুদ, মাওলানা ওসমান প্রমুখ।
    পরে সর্বসম্মত সিদ্ধান্তক্রমে মাওলানা রফিকুল ইসলামকে আহবায়ক, মাওলানা ফুজাইল বিন আবদুল জলিলকে সদস্য সচিব, মাওলানা এজাজ চৌধুরী, মাওলানা আনিসুর রহমান,সাংবাদিক মাওলানা শফকত হোসাইন চাটগামী ও মাওলানা আলহাজ্ব ইসমাইলকে যুগ্ম আহবায়ক, মাওলানা ইউনুস, ক্বারী আবদুল ওয়াহেদ, মাওলানা সোহাইল মাহমুদকে যুগ্ম সদস্য সচিব, মাওলানা মাহমুদুল ইসলামকে অর্থ সচিব, মাওলানা ওসমান গণিকে প্রচার সচিব এবং মাওলানা ওসমান পুকুরিয়া মাদরাসা, মাওলানা হাফেজ জসিম উদ্দীন প্রেমাশিয়া, মাওলানা ইউসুফ বিন সাঈদ, মাওলানা ওসমান কাসেমী, মাওলানা আবদুল মাজেদ সরল, মাওলানা আবদুল মালেক সরল বড় মাদরাসা, মুফতি হেলাল উদ্দিন মনকিচর মাদরাসা, মাওলানা ইসমাইল চাম্বল মাদরাসা, মাওলানা জুনাইদ পুঁইছড়ি, মাওলানা মনসুর ছনুয়া ও মাওলানা জসিম উদ্দীন ছনুয়াকে সদস্য করে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
    সভায় আগামী ১৪ জুলাই বৃহস্পতিবার বাঁশখালী গ্রীণ কমভেনশন সেন্টারে পটিয়া আল জামেয়ার মহাপরিচালক আল্লামা শাহ আবদুল হালিম বোখারী সাহেব হুজুর রহ. স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। তাছাড়া দ্রুততম সময়ে বাঁশখালী ওলামা পরিষদের পুর্নাঙ্গ কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

  • সীমান্তবর্তী এলাকায় ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ বিতরণ

    সীমান্তবর্তী এলাকায় ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ বিতরণ

    আলমগীর ইসলামাবাদী চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি”

    আজ ২৮ জুন মঙ্গলবার ভারতের আসাম রাজ্যের মেঘালয় সীমান্তবর্তী এলাকা সুনামগঞ্জের বাংলা বাজার, হরিনা পাটি ও গঙ্গারচর ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ত্রাণ বিতরণ চলছে। তিনটি ইউনিয়ন পুরো এলাকা বন্যায় প্লাবিত। অধিকাংশ মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। অসহায়দের তালিকা তৈরি করে তাদেরকে আর্থিক সহযোগিতা ও ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

    এখানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ‘দূর্যোগ সহায়তা ও ত্রাণ বিতরণ টিম’-এর নেতৃত্ব আছেন কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি দেলাওয়ার হোসাইন সাকী। ত্রাণ তৎপরতায় আজ উপস্থিত আছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা সভাপতি জয়নাল আবেদীন, জেলা সদর মাওলানা নুরুল আমিন, ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক মাহবুব হোসেন মানিক, সুনামগঞ্জ বামুক সাধারণ সম্পাদক রহমতুল্লাহ, জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ জামাল গাজী সোহাগ, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শরিফুল্লাহ মজুমদার, যুব আন্দোলন সাধারণ সম্পাদক এইচ এম নিজাম, ছাত্র আন্দোলন জেলা সভাপতি মুহাম্মদ সেলিম হোসেন, সদর আন্দোলন সেক্রেটারি মুজিবুর রহমান, যুবনেতা শাহীন খান প্রমুখ।

  • আল্লামা আব্দুল হালিম বোখারী (রহ.)এর ইন্তেকালে পীর সাহেব চরমোনাই’র শোক ও দোয়া

    আল্লামা আব্দুল হালিম বোখারী (রহ.)এর ইন্তেকালে পীর সাহেব চরমোনাই’র শোক ও দোয়া

    আলমগীর ইসলামাবাদীঃ- চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি,

    পটিয়া মাদরাসার মুহতামিম ও সম্মিলিত কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আল্লামা আব্দুল হালিম বোখারীর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করে মরহুমের মাগফিরাত কামনা করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই।

    পীর সাহেব চরমোনাই ছাড়াও পৃথক পৃথক বিবৃতিতে শোক প্রকাশ করেন দলের নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই, মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, জাতীয় তাফসীর পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম।
    শোকবার্তায় পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, আল্লামা আব্দুল হালিম বোখারী একজন প্রথিতযশা আলেম ছিলেন। ইলমে হাদিস, ইলমে তাফছিরসহ ইসলামের সকল বিষয়ে তাঁর অগাধ পান্ডিত্য ছিল। কঠিন কঠিন বিষয়গুলো তিনি সহজ ভাবে তিনি সমাধান করতেন। জাতীয় সঙ্কটকালে তিনি অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করতেন। তিনি দেওবন্দি মাসলাকের সকল ইসলামী সংগঠন, ইসলামী ব্যক্তিত্ব, পীর মাশায়েখগণের মনে প্রাণে ঐক্য কামনা করতেন। তাঁর হাজার হাজার ছাত্র, ভক্ত বিশ্বের বিভিন্ন প্রাণে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।

    পীর সাহেব বলেন, কওমি মাদরাসা সনদের সরকারি স্বীকৃতিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। তিনি অসংখ্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠান ও মসজিদসহ বহুমুখি খেদমত আঞ্জাম দিয়ে গেছেন। মহান রব্বুল আলামিন মরহুমের সকল খেদমতকে কবুল করে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন, আমীন। সেইসাথে পরিবার পরিজন, ছাত্র, ভক্ত-অনুরক্তকে সবর এখতিয়ার করার তৌফিক দিন।

  • আজিজুল হক ইসলামাবাদী কারাগারে জটিল রোগে আক্রান্ত,অবিলম্বে মুক্তি দিন,আমীরে নেজাম-আল্লামা সরওয়ার কামাল আজিজী

    আজিজুল হক ইসলামাবাদী কারাগারে জটিল রোগে আক্রান্ত,অবিলম্বে মুক্তি দিন,আমীরে নেজাম-আল্লামা সরওয়ার কামাল আজিজী

    আলমগীর ইসলামাবাদী:- চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি,

    বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির যুগ্ম-মহাসচিব, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসমাজের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ আজিজুল হক ইসলামাবাদী কারাগারে অত্যন্ত জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে মানবেতর দিন যাপন করছেন বলে জানিয়েছেন নেজামে ইসলাম পার্টির আমীর আল্লামা সরওয়ার কামাল আজিজী। এক বিবৃতিতে তিনি মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদীর সুচিকিৎসার জন্য দ্রুত মুক্তির দাবী জানান।

    আজ ২৯ জুন রোববার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গত বছর ১১ এপ্রিল থেকে দীর্ঘ ১৪ মাস যাবৎ মাওলানা ইসলামাবাদী কারাবন্দী। কারাগারে বেশ কিছুদিন আগেই তিনি জটিল রোগ যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়ে পড়েন। এছাড়াও তাঁর শ্বাসকষ্ট, হার্টের সমস্যা ও হাই প্রেশার রয়েছে। রিমান্ডে অমানবিক নির্যাতনের ফলে মজলুম এ আলেমের হাটু, ঘাড় ও কোমরে প্রচণ্ড ব্যাথা অনুভূত হচ্ছে। এসব শারিরীক অসুস্থতা ও জটিলতায় কারাগারে তিনি অত্যন্ত মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এমনকি নামাযে রুকু, সিজদা করাও তাঁর পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

    এ করুণ অবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দী ও গুরুতর অসুস্থ মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদীর রোগমুক্তির জন্য দু’আ কামনা এবং তাঁর সুচিকিৎসা ও দ্রুত মুক্তির জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমীর, দেশের শীর্ষ আলেমেদ্বীন আল্লামা সরওয়ার কামাল আজিজী।

    সংবাদপত্রে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী দেশের একজন মেধাবী ও শান্তিকামী আলেম। ইসলাম, দেশ ও জাতির কল্যাণে তাঁর গঠনমূলক, সাহসী ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এমন একজন তারুণ্যদীপ্ত, বিজ্ঞ আলেমেদ্বীনকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে হয়রানীমূলকভাবে ২৯টি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় দীর্ঘ ১৪ মাসেরও অধিক সময় পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখা অত্যন্ত অমানবিক ও দুঃখজনক।

    আমরা সরকারের কাছে অনতিবিলম্বে কারাগারে গুরুতর অসুস্থ মাওলানা ইসলামাবাদীর সুচিকিৎসা ও দ্রুত মুক্তি দাবি করছি এবং মজলুম এ আলেমেদ্বীনের আশু সুস্থতার জন্য আলেম-ওলামা, শিক্ষার্থীবৃন্দসহ তাওহিদী জনতার কাছে দু’আ কামনা করছি।

    আল্লামা সরওয়ার কামাল আজিজী একই বিবৃতিতে মাওলানা জুনাইদ আল-হাবিব, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা মুনির হোসাইন কাসেমী, মাওলানা মুফতি হারুন ইজহার, মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন রাযী, মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনির, মাওলানা মুফতি আজহারুল ইসলাম, মাওলানা জাকারিয়া নোমান ফয়জী, মধুপুরের পীর সাহবের ছেলে মাওলানা ওবাইদুল্লাহ কাসেমী, মাওলানা গাজী ইয়াকুব ওসমানী, মাওলানা এনামুল হাসান ফারুকীসহ হয়রানীমূলকভাবে গ্রেফতারকৃত সকল আলেমগণের দ্রুত মুক্তির দাবি জানান।

  • কক্সবাজারে মুহাম্মদ (সা.) এর বিরুদ্ধে বিজেপি নেতার আপত্তিকর বক্তব্যের প্রতিবাদে  বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

    কক্সবাজারে মুহাম্মদ (সা.) এর বিরুদ্ধে বিজেপি নেতার আপত্তিকর বক্তব্যের প্রতিবাদে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত।

    ওমর ফারুক উখিয়া কক্সবাজার।
    কক্সবাজার বদর মোকাম মসজিদ থেকে শুরু করে  শহরের প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
    ভারতের বিজেপি নেতা কর্তৃক নবী মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ (সঃ) ও তার সহধর্মিণী আম্মাজান আয়েশা (রাঃ) কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদ ও রাষ্ট্রকর্তৃক তার নিন্দা জ্ঞাপনের দাবীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, কক্সবাজার  জেলা শাখার বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
    বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই বারবার ইসলাম ও মুসলিমদের  উপর খড়গহস্ত হয়। তাদের কাছে গরুর মূল্য থাকলেও মুসলমানদের রক্তে কোন মূল্য নেই। সম্প্রতি মুসলিমদের প্রাণের স্পন্দন নবী মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ ও তার সহধর্মিণী নিয়ে কটুক্তি করে তারা সাম্প্রাদায়িক ও জঙ্গিবাদী আচরন করেছে আমরা এমন নোংরা হস্তক্ষেপের ঘোর নিন্দা জ্ঞাপন করছি।
     
    এতে,জেলা সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে ও জেলা সেক্রেটারী মাওলানা মোহাম্মদ শোয়াইব এর পরিচালনায় মিছিলোত্তর সমাবেশ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক রাশেদ আনোয়ার, প্রচার সম্পাদক মাওলানা সেলিম উদ্দিন, উপদেষ্টা ডা: মো: আমিন, অর্থ সম্পাদক মাওলানা হাফেজ ইসমাইল জাফর, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের জেলা সভাপতি আলহাজ¦ হাবিবুর রহমান, বামুক জেলা ছদর আলহাজ¦ বদিউল আলম, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম, মাওলানা কামাল উদ্দিন, মাওলানা ফজলুল করিম, মো: আবদুল খালেক,  মো: আনোয়ার হোসাইন, আবদুর রউফ লাভলু, মো: তকি উদ্দিন সিকদার জাতীয় ওলামা মশায়েখ আইম্মা পরিষদ জেলা সাধারণ সম্পাদক হাফেজ জামাল উদ্দিন তাওহীদ, ইসলামী যুব আন্দোলনের জেলা সভাপতি মাও: শফিউল আলম, সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ এর জেলা সভাপতি মিছবাহ উদ্দিন কায়সার সহ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও সকল সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 
    বিক্ষোভ মিছিলে শহরের বিভিন্ন মসজিদ থেকে মিছিল সহকারে মুসল্লীরা অংশ গ্রহণ করেন। মিছিলোত্তর সমাবেশে বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ বলেন, অবিলম্বে বিজেপির বিরুদ্ধে সংসদে নিন্দা প্রস্তাব পাশ ও ভারতীয় দুতকে ডেকে সকল তাওহীদি ও নবী প্রেমিক জনতার পক্ষথেকে তীব্র প্রতিবাদ জানাতে হবে এবং সরকার প্রধানের পক্ষ থেকে উক্ত আপত্তিকর বক্তব্যের প্রতিবাদে বিবৃতি প্রদান করতে হবে।
    এক পর্যায়ে জেলা সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ আলী শেষ বক্তব্যে  বলেন, বাংলাদেশ ভারতের পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র হওয়ায়  সেখানে কোনো ধর্মীয় উস্কানি বাংলাদেশেও প্রভাব ফেলে। তাই আমাদের দাবী বাংলাদেশেও ধর্মীয় সংঘাত এড়াতে অতিসত্ত্বর সংসদে নিন্দা প্রস্তাব আনা হোক। এবং মুসলমানদের প্রাণে রক্তক্ষরণ রোধে অভিভাবকের ভূমিকা পালন করুন।
  • অবিলম্বে মহানবী সা.এর অবমাননার প্রতিবাদে সংসদে নিন্দা প্রস্তাব আনতে হবে,ইসলামী আন্দোলন চট্টগ্রাম মহানগর

    অবিলম্বে মহানবী সা.এর অবমাননার প্রতিবাদে সংসদে নিন্দা প্রস্তাব আনতে হবে,ইসলামী আন্দোলন চট্টগ্রাম মহানগর

    আলমগীর ইসলামাবাদী চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি”

    চলমান সংসদ অধিবেশনে ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা কর্তৃক মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা. কে কটূক্তির প্রতিবাদে নিন্দা প্রস্তাব আনতে হবে এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার কে ডেকে এর প্রতিবাদ জানাতে হবে। না হয় আন্দোলন আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করবে ইনশাআল্লাহ। এদেশের সাধারন মানুষ, রাসূল সা. এর কটুক্তি অতীতেও কখনো সহ্য করেনি বর্তমানেও করবে না। অবিলম্বে, বিজেপি সরকারের মুখপাত্র নুপুর শর্মা ও দিল্লি মিডিয়া সেলের প্রধান নবীন কুমার জিন্দালকে গ্রেফতার করে ফাঁসি দেয়ার দাবি জানান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরের নেতৃবৃন্দ।

    আজ (১০জুন ২২) শুক্রবার,বাদ জুমা ঐতিহাসিক চট্টগ্রাম জমিয়তুল ফালাহ বিশ্ব মসজিদের সামনে ওয়াসা চত্বরে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরের উদ্যোগে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম।

    সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবুল কাশেম মাতাব্বর, নগর জয়েন সেক্রেটারি, মীর আহমদ, জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ এর সাংগঠনিক সম্পাদক, ইমদাদুল কবির ভূঁইয়া, নগর উপদেষ্টা মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহানগর প্রচার সম্পাদক মাওলানা তরিকুল ইসলাম ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি তানভীর হোসেন জাতীয় দৈনিক আশ্রয় প্রতিদিন চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধি সাংবাদিক আলমগীর ইসলামাবাদীসহ মহানগর নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।
    নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ভারতীয় পণ্য বয়কট করা এখন ঈমানের দাবী, আরব দেশগুলোসহ বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে ভারতীয় পণ্য বয়কট করে রসূল সা. কে কটূক্তির প্রতিবাদ জানাচ্ছে, আমরাও বাংলাদেশের জনগণ ভারতীয় পণ্য বয়কট করে উচিত শিক্ষা দিব, যেন ভবিষ্যতে মানবতার নবী বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ সা. কে নিয়ে কটুক্তি করার কেউ সাহস না পায়। নেতৃবৃন্দ দেশবাসীকে ভারতীয় পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

    জমিয়তুল ফালাহ মসজিদের সামনে ওয়াসা চত্বর থেকে লালখানবাজার হয়ে জিইসির মোড় গিয়ে দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে মিছিল সমাপ্ত করা হয়।

  • ভারতে মহানবী(সাঃ)কে অবমাননার প্রতিবাদে বিরামপুরে বিক্ষোভ মিছিল

    ভারতে মহানবী(সাঃ)কে অবমাননার প্রতিবাদে বিরামপুরে বিক্ষোভ মিছিল

    এস এম মাসুদ রানা বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-

    ভারতে হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রাঃ)কে নিয়ে কটূক্তি ও চরম অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দিনাজপুর দক্ষিণ জেলা শাখার উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (১০ জুন) বাদ জুম্মা ঢাকা মোড় থেকে মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঢাকা মোড় বঙ্গবন্ধুর চত্বর সম্মুখে প্রতিবাদ সভায় মিলিত হয়।

    ওলেমা মাসাহেক শুরা সদস্য আনিসুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, মুফতি তারিক মাসুদ, মাওলানা আনিসুর রহমান, ডাক্তার নুরে আলম সিদ্দিক, মাওলানা সরোয়ার হোসেন, মাওলানা আনিসুর রহমান, মাওলানা কামাল আহমেদ, হাফেজ বেলাল, মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, মাস্টার হারুনুর রশিদ, মাওলানা আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন প্রমুখ

    বক্তারা বলেন,মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব,যার শান ও মান আকাশচুম্বী, যার চরিত্র সমগ্র পৃথিবীর সকল মানুষের জন্য আদর্শ,স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা তাঁর চরিত্র সম্পর্কে সার্টিফিকেট দিয়েছেন।তাঁর এমন মহান চরিত্রের উপর অবমাননাকর বক্তব্য যে সকল কুলাঙ্গাররা প্রদান করেছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় ভাবে নিন্দা প্রকাশ করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।

    মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকল মুসলমানদের প্রাণ ও ঈমান,অনতিবিলম্বে এর উপযুক্ত প্রতিক্রিয়া না আসলে আরও তীব্র বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক আসবে বলে বক্তারা আশ্বস্ত করেছেন,এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে নিন্দা প্রকাশ জন্য আহবান করেন।

  • মহানবী (স.)ও আয়েশা সিদ্দিকা(র.) এর প্রতি কটুক্তির প্রতিবাদে ১৬ জুন ঢাকা ভারতীয় দূতাবাস গেরাও কর্মসূচি,বিক্ষোভ সমাবেশে ফয়জুল করিম।

    মহানবী (স.)ও আয়েশা সিদ্দিকা(র.) এর প্রতি কটুক্তির প্রতিবাদে ১৬ জুন ঢাকা ভারতীয় দূতাবাস গেরাও কর্মসূচি,বিক্ষোভ সমাবেশে ফয়জুল করিম।

    আলমগীর ইসলামাবাদী চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি”

    ১৬ জুন ঢাকাস্থ ভারতীয় দূতাবাস অভিমূখে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি পেশ
    ক্ষমতাপাগল সরকারকে ভারতও রক্ষা করতে পারবে না
    নবীজির ওপর কটূক্তিতে সরকারের নীরবতা মেনে নেয়া যায় না
    –লাখো জনতার সমাবেশে মুফতী ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই বলেছেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী সরকার ক্ষমতার পাগল। ক্ষমতার নেশায় তারা ভারতের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব আনতে পারছে না। সরকার যতই ভাবুক মোদি সরকার তাদের ক্ষমতা ও গদি রক্ষা করবে। কিন্তু বাংলাদেশের জনগণ তাদেরকে (আওয়ামীলীগকে) ক্ষমতায় রাখবে না। তিনি বলেন, চলতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন থেকে যদি এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় নিন্দা প্রস্তাব পাস করা ও ভারতীয় হাই কমিশনারকে যদি ডেকে নিন্দা জানানো ও জবাব চাওয়া না হয়, কটূক্তিকারীদের যদি বিচার করা না হয়, তাহলে আগামী ১৬ জুন ভারতীয় দূতাবাস অভিমুখে গণমিছিল ও স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

    ভারতে বিজেপি মুখপাত্র কর্তৃক রাসূল (সা.) এবং উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.) সম্পর্কে অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে আজ ১০ জুন শুক্রবার বাদ জুমা জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত বিশাল বিক্ষোভ পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিক্ষোভ সমাবেশ নবীপ্রেমিক জনতার জনসমূদ্রে রূপ নেয়। বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট, পশ্চিম প্লাজা, দৈনিকবাংলা, গুলিস্তান, বিজয়নগর নাইটেঙ্গেল এলাকায় নবীপ্রেমিক লাখো জনতার ঢল নামে।

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদের সভাপতিত্বে বিক্ষোভ পূর্ব সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান ও আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, যুবনেতা মাওলানা নেছার উদ্দিন, আলহাজ্ব শাহাদাত হোসেন, মাওলানা আরিফুল ইসলাম, আব্দুল আউয়াল মজুমদার, ডা. শহিদুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম নাঈম, কেএম শরীয়াতুল্লাহ, মুফতী ফরিদুল ইসলাম প্রমুখ।

    মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেন, কোনো সভ্য জাতি বা নেতা কারো মৌলিক বিশ্বাসের ওপর এভাবে আঘাত হানতে পারে না। বিশ্বের অন্যতম মুসলিম প্রধান রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের এহেন অসভ্য কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারকে সংসদে নিন্দা প্রস্তাবের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে হবে।
    তিনি বলেন, এ ঘটনায় ভারত সরকারকে মুসলিম উম্মাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে এবং ভবিষ্যতে এমন কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে বিষয়ে ভারতকে অঙ্গীকার করতে হবে।
    কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আজ বাদ জুমা সারাদেশের জেলা/মহানগর, উপজেলা/থানায় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সফল করায় তিনি সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। সেইসাথে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসার ছাত্ররা নবীপ্রেমের দৃষ্টান্ত স্থাপনে ময়দানে নেমে আসায় তাদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

  • বিশ্বব্যাপী ভারতীয় পণ্য বর্জনের আন্দোলনে শামিল হোন-পীর সাহেব চরমোনাই

    বিশ্বব্যাপী ভারতীয় পণ্য বর্জনের আন্দোলনে শামিল হোন-পীর সাহেব চরমোনাই

    আলমগীর ইসলামাবাদী চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা তৈরি করে বিশ্বব্যাপী অশান্তি সৃষ্টি করছে। সাম্প্রদায়িক বিজেপি সরকার শুধু বিশ্বের জন্য নয় ভারতের জন্যও হুমকি স্বরূপ। উগ্রবাদী বিজেপি নেতাদের মহানবী সা. ও উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা রা. সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করে বিশ্বের দুইশ কোটি মুসলমানের কলিজ্বায় আঘাত করেছে। কিন্তু তারা জানে না মুসলমানদের কাছে নবী সা. এর সম্মান ও মর্যাদা তাদের জীবনের চেয়েও বেশি। পীর সাহেব চরমোনাই আজ এক বিবৃতিতে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

    তিনি আরো বলেন, বিজেপির মুখপাত্র নূপুর শর্মা ও দিল্লি শাখার গণমাধ্যম প্রধান নবীন কুমার জিন্দাল রাসূল সা.-কে নিয়ে কটূক্তি করে সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কলিজায় আঘাত করেছে। ফলে কোনোভাবেই রাসূল সা.-এর সামান্যতম অসম্মান আমরা বিশ্বের মুসলমানেরা বরদাশত করতে পারি না। আমরা ঘৃণার সাথে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, রাসূল সা.-এর অবমাননার প্রতিবাদে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিবাদ জানালেও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এখনো প্রতিবাদ না করায় আমরা ক্ষুব্ধ, মর্মাহত এবং ব্যথিত। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে অবিলম্বে জাতীয় সংসদে নিন্দা প্রস্তাব পাশ করতে হবে এবং ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকে তলব করে রাসূল সা.-এর অবমাননার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাতে হবে। অন্যথায় ঈমানদার জনতা ঈমানের তাগিদে ময়দানে নেমে আসলে সরকারের আখের রক্ষা হবে না।

    #কর্মসূচি :
    ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি মুখপাত্র কর্তৃক মহানবী হযরত মুহাম্মদ সা. ও উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা রা. এর শানে আপত্তিকর বক্তব্যের প্রতিবাদে আগামী ১০ জুন’২২ইং শুক্রবার বাদ জুম’আ, বায়তুল মোকাররম মসজিদ উত্তর গেইটে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং একইদিন সারাদেশের জেলা ও মহানগর শাখায় পৃথক পৃথক বিক্ষোভ সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ঢাকার বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দিবেন সংগঠনের মুহতারাম নায়েবে আমীর হযরত মাওলানা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই।

    পীর সাহেব বিশ্বব্যাপী ভারতীয় পণ্য বর্জনের আন্দোলনে শামিল হওয়ার জন্য বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি শুক্রবার সারাদেশে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল সফল করার আহ্বান জানান।

  • একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমেই চলমান সঙ্কট দূর করা সম্ভব-পীর সাহেব চরমোনাই

    একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমেই চলমান সঙ্কট দূর করা সম্ভব-পীর সাহেব চরমোনাই

    আলমগীর ইসলামাবাদীঃ- চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি,

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ- এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, রাজনীতি মানুষের কল্যাণের জন্য। গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। আজ দেশের সাধারণ নাগরিকের কোনো অধিকার নেই, কোনো সম্মান নেই। সব অধিকার ভোগ করছে ক্ষমতাসীন এবং তাদের দোসররা। আওয়ামী লীগের সবাই দুর্নীতিবাজ নয়, বিএনপির মধ্যেও ভালো মানুষ আছে। আমরা দেশের সকল নীতিবান, ভালো মানুষ ও আদর্শ নাগরিকদের নিয়ে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চাই। সংঘাতের নোংরা রাজনীতির অবসান চাই। তাই আগামী নির্বাচন দলের জন্য নয়; সমৃদ্ধ ও কল্যাণকর দেশের জন্য হোক। আমরা স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য অর্জনে সবাইকে সাথে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।

    পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, বাংলাদেশের রক্তে কেনা স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে অনতিবিলম্বে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। প্রশাসনকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। সুষ্ঠু রাজনৈতিক সংস্কৃতি তৈরী করতে হবে। ক্ষমতাসীনরা আগামীতেও জাতীয় সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন করতে চায়। বর্তমান সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের বিষয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। জাতীয় সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন হলে তা সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে না বরং আবারও ২০১৪ ও ২০১৮-এর মতো নির্বাচনের নামে প্রহসন হবে। আমরা বর্তমান সংসদ ভেঙে দিয়ে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনকালীন জাতীয় সরকারের অধীনে সকল দলের অংশগ্রহণে একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন চাই। যে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশের চলমান সঙ্কট দূর হবে।

    আজ শুক্রবার, দুপুর ২টায় চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক আউটার স্টেডিয়ামে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পীর সাহেব চরমোনাই উপরোক্ত কথা বলেন। দলের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ড. মাওলানা আ.ফ.ম খালিদ হোসেন- এর সভাপতিত্বে বিভাগীয় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই, মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, আমিনুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিভাগীয় সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহŸায়ক মাওলানা খলিলুর রহমান, সহ প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুফতি দেলাওয়ার হোসাইন, কৃষি ও শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ আবদুর রহমান, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মাওলানা কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, কেন্দ্রীয় সদস্য আলহাজ সেলিম মাহমুদ, যুব আন্দোলন সেক্রেটারী জেনারেল আতিকুর রহমান মুজাহিদ, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল করীম আকরাম, নগর সহ সভাপতি আলহাজ আবুল কাশেম মাতবর, নগর সেক্রেটারী আল মুহাম্মদ ইকবালসহ চট্টগ্রাম বিভাগের আওতাধীন জেলা নেতৃবৃন্দ।

    সমাবেশে পীর সাহেব চরমোনাই আরো বলেন, স্বাধীনতা-উত্তর দেশের মানুষ স্বপ্ন দেখেছিল স্বাধীন দেশে তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবে। স্বাধীন নাগরিক হিসেবে মর্যাদা পাবে, সম্মান পাবে। বাকস্বাধীনতা ও ন্যায়বিচার পাবে। জান-মাল, ইজ্জত-আবরু এবং জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে বেঁচে থাকতে পারবে। কিন্তু দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব আজ সংকটাপন্ন, জনগণ তাদের মৌলিম অধিকার থেকে বঞ্চিত, দুর্নীতিবাজ, লুটেরা এবং তাঁবেদার শক্তি দেশের মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে। এ অবস্থার পরিবর্তনের জন্যে সকল সুনাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

    দেশে সর্বস্তরের ওলামা-মাশায়েখ, অন্যান্য ভ্রাতৃপ্রতিম ইসলামী সংগঠন এবং সব মতের ইসলামপন্থির প্রতি বিশেষ আহŸান জানিয়ে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, আসুন আমরা এদিক-সেদিক ছোটাছুটি না করে ইসলামকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় নেওয়ার জন্য একটি কার্যকর ও টেকসই ঐক্য গড়ে তুলি। আমরা যদি কার্যকর এবং ফলপ্রসূ ঐক্য গড়ে তুলতে পারি, তাহলে ঐক্যবদ্ধ ইসলামী শক্তিই হবে এ দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি। আর আল্লাহ যদি আমাদের কবুল করেন, জনগণের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় যেতে পারি, তাহলে দেশে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে। সব নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুরক্ষা হবে। দুর্নীতি উৎখাত করা হবে। প্রতিহিংসা ও জিঘাংসার পরিবর্তে সমঝোতা ও সহনশীলতার রাজনীতির বিকাশ ঘটবে। প্রতিবেশী রাষ্ট্রসহ বিশ্বসম্প্রদায়ের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা হবে। সুদ, ঘুষ ও অপচয় বন্ধ করা হবে। মাদক, চাঁদাবাজি উৎখাত করব। নারী নির্যাতন ও মানব পাচার প্রতিরোধ করব। দ্রব্যমূল্য মানুষের সামর্থ্যরে মধ্যে রাখতে সিন্ডিকেটবাজি বন্ধ করা হবে। সন্ত্রাস নির্মূল করা হবে। দলীয়করণ বন্ধ করা হবে। শিষ্টের লালন ও দুষ্টের দমন নীতি গ্রহণ করা হবে। সুষম অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মাধ্যমে ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান কমাব। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করব। বেকারত্ব দূর করব এবং কৃষক-শ্রমিকসহ সব শ্রমজীবী ও পেশাজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করব।

    পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, প্রাচ্যের রাণী নামে খ্যাত সমুদ্র ও পাহাড়বেষ্টিত এই বন্দরনগরী নানা সমস্যায় জর্জরিত। কোনো কোনো সড়ক প্রশস্ত করা হলেও কাজ অসমাপ্ত। ঢাকায় যেখানে এক ঘণ্টার বেশি লোডশেডিং হয় না, সেখানে চট্টগ্রামে চার-পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং চলে। এই হলো দেশের প্রধান বন্দর ও শিল্পনগরীর হাল। জোয়ারের পানিতে ঘরবাড়ি ডুবে যায়, মেরামতের অভাবে রাস্তাঘাটগুলো যান চলাচলের প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। খানাখন্দে ভরা রাস্তায় ময়লা-আবর্জনার স্তূপ জমে থাকে। শহরের ড্রেনেজব্যবস্থা খুবই নাজুক। যানজটেও নগরবাসীকে প্রায়ই নাকাল হতে হয়। যানজট, জলাবদ্ধতা, বিদ্যুৎবিভ্রাট ও অপরিকল্পিত উন্নয়েনর অপর নাম বাণিজ্যিক রাজধানী। তাই চট্টগ্রামের কার্যকর উন্নয়নে সরকারকে অবিলম্বে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

    দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম শায়েখে চরমোনাই বলেন, দেশকে ভালোবাসি। দেশে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা ও জনমনে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দূর করতে চাই। মানুষকে স্বস্তি ও নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে চাই।